মাওলানা মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জ-৪ নিয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন নিয়ে কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবে না বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। স্পষ্ট ভাষায় এ কথা জানিয়েছেন দলটির আমির ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

কামাল উদ্দিন সুমন, নারায়ণগঞ্জ

Location :

Narayanganj
নারায়ণগঞ্জে মাওলানা মামুনুল হক
নারায়ণগঞ্জে মাওলানা মামুনুল হক |নয়া দিগন্ত

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন নিয়ে কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবে না বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। স্পষ্ট ভাষায় এ কথা জানিয়েছেন দলটির আমির ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

তিনি বলেছেন, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে, একাধিক আসন অন্য ইসলামী দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না।

সোমবার বিকেলে ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ভুইগর দাওয়াতুল কোরআন মাদরাসায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এক কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আসন সমঝোতায় অংশ নেয়ার অর্থ একেবারে খালি হাতে ফিরে যাওয়া নয়। খেলাফত মজলিসের কিছু আসনে শক্ত অবস্থান রয়েছে এবং সেসব আসন ছেড়ে দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

তিনি জানান, এখনো অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর সাথে ঐক্য অটুট রয়েছে এবং সেই ঐক্যের ভিত্তিতেই দাবিকৃত আসনগুলো পাওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।

মামুনুল বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি খেলাফত মজলিসের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রিকশা মার্কার প্রার্থী খন্দকার আনোয়ারের জন্য এ আসনটি অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে। সর্বোচ্চ ছাড় দেয়ার পরও এ আসন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বদলায়নি বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

তিনি আরো বলেন, দলের কেন্দ্রীয় লিঁয়াজো কমিটির বৈঠকে এখন পর্যন্ত এমন কোনো আলোচনা হয়নি যে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন অন্য কোনো দলের জন্য ছেড়ে দেয়া হবে। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তের প্রশ্নই নেই।

জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সমর্থন দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে মামুনুল বলেন, এই ধরনের কোনো আলোচনা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের টেবিলে আলোচনায় আসেনি। টেবিলের আলোচনার বাইরে গিয়ে যদি কেউ আলাদাভাবে কোনো দলের সাথে সমঝোতা করে, সে সমঝোতা দল মানবে না।

কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত যদি আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দলের শক্ত অবস্থানের ওপর ভর করেই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।’