জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী পিটিশন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা নির্বাচনী পিটিশন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

ময়মনসিংহ অফিস

Location :

Mymensingh
জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী পিটিশন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ
জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী পিটিশন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা নির্বাচনী পিটিশন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে ওই আসনের ব্যবহৃত ব্যালট পেপার, রেজাল্টশিটসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনসামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৬ মার্চ) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল নির্বাচনে অনিয়ম, ব্যালট পেপার গণনায় জালিয়াতি এবং পোলিং অ্যাজেন্টদের বাধা দেয়ার অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি ইলেকশন পিটিশন করেন।

ওই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো: আবু আহাদ আকন্দ ওয়াহিদ ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অপরদিকে পিটিশনার কামরুল আহসান এমরুল পান ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮০ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ৭ হাজার ৭৮৮।

পিটিশনে অভিযোগ করা হয়, প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে থাকলেও পরবর্তীতে নানা অনিয়ম ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তন করে তাকে অন্যায়ভাবে পরাজিত দেখানো হয়েছে।

পিটিশনারের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো: মাহমুদুল হাসান, অ্যাডভোকেট শুভ স্বত্ব রফিকসহ অন্যান্য আইনজীবী।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন আসনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ৩৫ জনের বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এসব আবেদন প্রাথমিকভাবে শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপার ও প্রয়োজনীয় নির্বাচনসামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়ে থাকে।