২৪৫ ভোট পেলেও মাইকিং করে ভোটারদের কৃতজ্ঞতা জানালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও হোছনেয়ারা হতাশ না হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন। মাইকিং করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আর যারা ভোট দেননি, তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল। আপনাদের রায় আমি সাদরে গ্রহণ করছি।’

খাদেমুল বাবুল, জামালপুর

Location :

Jamalpur
স্বতন্ত্র প্রার্থী হোছনেয়ারা বেগম
স্বতন্ত্র প্রার্থী হোছনেয়ারা বেগম |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে মাত্র ২৪৫ ভোট পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হোছনেয়ারা বেগম। পরাজিত হলেও ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ উদ্যোগে মাইকিং করে এলাকার ভোটারদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

হোছনেয়ারা বেগম জামালপুর শহরের ডাকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার। জামালপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এ আসনে ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। সেখানে তিনি মাত্র ২৪৫টি ভোট পান।

সোমবার রাতে তিনি জামালপুর পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।

শহরের কয়েকজন জানান, নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও হোছনেয়ারা হতাশ না হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন। মাইকিং করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আর যারা ভোট দেননি, তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল। আপনাদের রায় আমি সাদরে গ্রহণ করছি।’ এ সময় তিনি নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও ধন্যবাদ জানান।

হোছনেয়ারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, মানুষের ভালোবাসাই আমার কাছে বড় কাজ। ভোটারদের সম্মান জানাতে নিজেই মাইকিং করে ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি।’

জামালপুর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির প্রার্থী শাহ মো: ওয়ারেছ আলী (মামুন) এক লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ২০১ ভোট।

নিয়ম অনুযায়ী প্রদেয় ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেক্ষেত্রে হোছনেয়ারা বেগমসহ আট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।