ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ও নাসিরনগর সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত মাহফুজুল ইসলাম (৫০) নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাহফুজুল ইসলাম উপজেলার শিমের কান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর আব্দুর রহমানের ছেলে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংঘর্ষ চলাকালে ঘটনাস্থলেই কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ (৩৮) ও রহিম তালুকদারের গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া (৫৫) নিহত হন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত মাহফুজুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে রহিম তালুকদার ও কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষ একপর্যায়ে উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।
এদিকে এ ঘটনায় নাসিরনগর থানায় দায়ের করা দু’টি হত্যা মামলায় গত রাত থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, আটকদের সংঘর্ষ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



