গাইবান্ধায়র প্রবেশপত্র না পেয়ে ৬৫ পরীক্ষার্থীর মহাসড়ক অবরোধ

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে পলাশবাড়ী পৌর শহরের আদর্শ ডিগ্রি কলেজ এলাকা ও ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন পরীক্ষার্থীরা-অভিভাবকরা। এতে মহাসড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Palashbari
পলাশবাড়ী পৌর শহরের আদর্শ ডিগ্রি কলেজ এলাকা ও ফিলিং স্টেশনের সামনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
পলাশবাড়ী পৌর শহরের আদর্শ ডিগ্রি কলেজ এলাকা ও ফিলিং স্টেশনের সামনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ |সংগৃহীত

রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। অথচ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ৬৫ পরীক্ষার্থী শেষ দিনেও প্রবেশপত্র পায়নি। ইউএনওর দ্বারস্থ হয়েও প্রবেশপত্র না পেয়ে শেষ পর্যন্ত অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীরা রাতেই মহাসড়কে অবরোধে নামেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে পলাশবাড়ী পৌর শহরের আদর্শ ডিগ্রি কলেজ এলাকা ও ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন পরীক্ষার্থীরা-অভিভাবকরা। এতে মহাসড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯ জন এবং জুনদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ জনসহ মোট ৬৫ পরীক্ষার্থী এখনও প্রবেশপত্র পায়নি। যদিও তারা নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণ করেছিল। বারবার যোগাযোগ করেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব না পেয়ে ইউএনওর দ্বারস্থ হয় শিক্ষার্থীরা। তাতেও সমাধান না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে সড়কে নামেন।

অবরোধের খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াশা রহমান দাপাদার এবং থানা পুলিশের কর্মকর্তারা। তারা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

এসময় ইউএনও জানান, শিক্ষাবোর্ডের সাথে জরুরি যোগাযোগ করা হয়েছে এবং রাতের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র তুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় একঘণ্টা পর রাত পৌনে ১০টার দিকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র না আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শিক্ষার্থীরা পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দ্বারস্থ হয়। পরে এ ঘটনার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের শোকজ করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।