দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের উপকূলীয় নৌপথ ও সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারকল্পে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ সভা করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় নৌপথ এবং সুন্দরবন এলাকার দস্যুতা দমন, অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে আজ ৯ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী, জেলা প্রশাসন-বাগেরহাট, পুলিশ, র্যাব, নৌ পুলিশ, অন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, মৎস্য অধিদফতর, বন বিভাগ, নৌ পরিবহন অধিদফতর, লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন, রিসোর্ট অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন, মৎস্য আড়তদার এবং মাঝি-মাল্লা সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সুন্দরবনের দস্যুতা দমন কার্যক্রম জোরদার, সীমান্তবর্তী নদীপথ দিয়ে অবৈধ অস্ত্র অনুপ্রবেশ ও মানব পাচার প্রতিরোধ, টুরিস্ট জাহাজ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রিসোর্টসমূহে ডাকাতি ও অপহরণ রোধ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়াও বহিঃনোঙ্গরে ছিঁচকে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ, নিরাপত্তা কাজে ওয়াচম্যান মোতায়েনের নির্দেশনা, ফিশিং ট্রলারের মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধ, সমুদ্রে ৫৮ দিনের ফিশিং ব্যান বাস্তবায়ন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চলাচলরত লাইটার ও কোস্টার জাহাজসমূহের নিরাপত্তা জোরদার এবং নোঙ্গর অবস্থায় আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দস্যুতা দমন এবং সকল প্রকার অপরাধ প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।



