চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বোটসহ নিখোঁজ ১৭ মাঝি-মাল্লার চার মাসেও খোঁজ মেলেনি।
গত বছরের ৩ ডিসেম্বর রাত ৮টায় বাঁশখালীর শেখেরখীল থেকে মাঝি আমান উল্লাহসহ ১৬ মাঝি-মাল্লা মো: ইয়াসিন আরাফাতের মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া-২৮৩ ফিসিংবোট নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে বের হন। ফিসিং বোটটি রাত ১২টার দিকে গন্ডামারা কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দেয়ার পর থেকে তারা নিখোঁজ হন।
পরবর্তীতে মালিকের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার বোট নিয়ে সাগরে তল্লাশি করে তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় গত ১৪ ডিসেম্বর বাঁশখালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) বোট মালিকের বাবা জাহাঙ্গীর নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘থানায় জিডিসহ বিভিন্ন দফতরে বোট ও ১৭ মাঝি-মাল্লার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।’
তার দুই চাচাতো ভাইও নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।
নিখোঁজদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের পাঁচজন, নোয়াখালীর একজন এবং বাকি সবাই বাঁশখালী ও কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও উখিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
রোববার সন্ধ্যায় বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক খালেদ সাইফুল্লাহ নয়া দিগন্তকে থানায় জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাঁশখালী শেখেরখীল বোট মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মো: এয়ার আলী বলেন, ‘নিখোঁজ পরিবারদের আমরা সান্ত্বনা দিয়েও তাদের শোক সামলাতে পারছি না। পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে খবর নিলে হয়তো তাদের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।’



