ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মাওলানা ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন, ৫ শতাধিক জামায়াত সমর্থক পরিবার ও নির্বাচনী অ্যাজেন্টের পরিবারকে নির্বাচন পরবর্তী হামলার হুমকি দেয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
মাওলানা ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেন, জামায়াত নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে অবশ্যই বিশাল ব্যবধানে নির্বাচিত হবেন। বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমন লোকজন তার নেতাকর্মীর পরিবারদের হুমকি দিচ্ছেন। সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার তেমন কোন হুমকি না পেলেও প্রতিদিন সোনারগাঁও অংশের বিএনপির নেতাকর্মীরা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের নবাব হাবিবুল্লাহ বাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম টিটুর ছেলে নাজমুল ইসলাম লিটু, জামপুর ইউনিয়নের বাছাবো তিলাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র বিএনপি নেতা গোলজার হোসেন, সনমান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাফিরউদ্দিন মজনু ও তার ভাই মোহন কেন্দ্র দখল করবেন আশংকা করছেন জামায়াতের প্রার্থী। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানাকে অবগত করেছি।
জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, বিএনপি প্রার্থীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছেন। অনেকের বাড়িতে টেঁটা, বল্লম ও লাঠিসোটা মজুদ করছেন। প্রশাসনকে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।
এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের প্রধান অ্যাজেন্ট খাইরুল ইসলাম সজিব বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। নির্বাচনী মাঠে আমাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে। এ জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্নিত হয়ে আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে।
সোনারগাঁও থানার ওসি মো: মহিববুল্লাহ বলেন, ‘জামায়াত প্রার্থী থানায় মৌখিকভাবে অভিযোগ নিয়ে এসেছেন।’
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনারগাঁও উপজেলার নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, ‘মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিতভাবে অভিযোগ দিলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’



