পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদীকে হত্যা করে বাড়ি থেকে নাতনীকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচি থেকে দাদী-নাতনী হত্যকারীর মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে পাবনা প্রেস ক্লাবের সামনে স্বজন ও এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে ট্রাকচালক শরিফুল ইসলাম শরীফ দাদীকে হত্যা করে বাড়ি থেকে নাতনীকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যা করে। অবিলম্বে এ পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের মূল হোতার মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।
মানববন্ধনের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পাবনা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত মূল হোতা শরিফের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেয় হয়।
গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দাশুড়িয়ার ভবানীপুরে গভীর রাতে দাদী- নাতনীকে খুন করে ঘাতক শরিফ। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও জয়নাল খাঁর মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে ঘটনার পর থেকে পাবনা ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল তদন্ত শুরু করে। তারা স্থানীয় তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় সন্দেহভাজন হিসেবে শরীফুল ইসলাম শরিফকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে আটক করে। ডিবি কার্যালয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে নিজের অপরাধ স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়।



