নির্মাণাধীন মেঘনার তীর রক্ষাবাঁধ পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি ও হুইপ নিজান

‘মেঘনার ভাঙন থেকে এ অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের অগ্রাধিকার। আগামী বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধের কাজ যাতে দৃশ্যমান হয় এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পায়, সে লক্ষ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন।’

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

Location :

Komol Nagar
নির্মাণাধীন মেঘনার তীর রক্ষাবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি ও হুইপ নিজান
নির্মাণাধীন মেঘনার তীর রক্ষাবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি ও হুইপ নিজান |নয়া দিগন্ত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলাকে মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষায় নির্মাণাধীন ৩৭ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং স্থানীয় এমপি ও সংসদের নবনির্বাচিত হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কমলনগর উপজেলার ফলকন ইউনিয়নের মাতাব্বরহাট এলাকায় পৌঁছান তিনি। সেখানে তিনি চলমান বাঁধ নির্মাণকাজের ভৌত অগ্রগতি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রীর সাথে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো: সাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান হাছিব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফের) সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা।

পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মেঘনার ভাঙন থেকে এ অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের অগ্রাধিকার। আগামী বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধের কাজ যাতে দৃশ্যমান হয় এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পায়, সে লক্ষ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন।

এ সময় হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর।

এর আগে, মন্ত্রী স্থানীয় মতিরহাট লঞ্চঘাট এলাকায় যাত্রী ওঠানামার সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিএর একটি পন্টুন উদ্বোধন করেন।

এদিকে মন্ত্রীর সফরসূচি সূত্রে জানা গেছে, তিনি আজ দিনব্যাপী রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা ও বাঁধের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পরিদর্শন করবেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

উল্লেখ্য, মেঘনা নদীর তীর রক্ষাবাঁধ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩১ শ’ কোটি টাকার প্রকল্প ২০২৪ সালের একনেক সভায় অনুমোদন পেয়ে প্রথম কিস্তির বরাদ্দের নির্ধারিত প্যাকেজ বিপরীতে কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে চলমান কাজের গুণগত মান নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। পাউবো সংশ্লিষ্টদের নির্লিপ্ততার অভিযোগ উঠেছে।