পিরোজপুরের কাউখালীতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। হিমেল হাওয়ায় সর্বত্রই জবুথবু অবস্থা। গত তিন দিনে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যপ্ত হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় উপজেলার গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় করছে সাধারণ ক্রেতারা। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ কম মূল্যে শীতবস্ত্র কেনার জন্য ভিড় করছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে।
উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। বিশেষ করে এর ক্রেতা হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। বিভিন্ন রিকশা বা ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষ দোকানে গরম কাপড় কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। পুরাতন কাপড়ের মধ্যে রয়েছে সোয়েটার, জ্যাকেট, কম্বল, গরম টুপি, চাদর, ব্লেজার, বিভিন্ন ধরনের মাফলার, মোটা গেঞ্জিসহ বিভিন্ন ধরনের গরম পোশাক।
এ সমস্ত দোকানে দামও তুলনামূলক কম। বিভিন্ন ধরনের জ্যাকেট ১০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। এছাড়া মোটা গেঞ্জি, সোয়েটার ও চাদর পাওয়া যায় ১০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে।
রিকশাচালক শুকুর আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘শীতের তীব্রতা বেড়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কিংবা বেসরকারিভাবে কোনো কম্বল পাওয়া যায়নি। ফুটপাতের দোকান থেকে ১২০ টাকায় একটি কম্বল ক্রয় করেছি।’
দিনমজুর আব্দুল বারেক বলেন, ‘১৫০ টাকা দিয়ে একটি জ্যাকেট ক্রয় করেছি।’
বিক্রেতা হাসান ও জাকির হোসেন বলেন, ‘এসব পোশাক কিনতে প্রতি পিস খরচ হয়েছে মানভেদে ৫০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। আমরা প্রতিটি পোশাকে ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করি।’



