বরগুনার আমতলী উপজেলার গাজীপুর বন্দরের বাঁধঘাট এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে শেষ সম্বল হারিয়ে ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় গাজীপুর বন্দরের বাঁধঘাট এলাকায় একটি চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় হাসান, দুলাল, আমির, আব্দুর রাজ্জাক, হালিম ও হানিফের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান পুড়ে যায় এবং আরো চারটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. নুরুজ্জামান মিয়া বলেন, একটি চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এই দোকানের আয়ের ওপর নির্ভর করেই সংসার চালাতেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ফোরকান বলেন, “আমার সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবো বুঝতে পারছি না।”
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. হানিফ মিয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশও আগুন নেভাতে সহায়তা করেছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তারা আবেদন করলে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ মোবাইল ফোনে জানান, তিনি বর্তমানে ঢাকায় থাকায় ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।



