মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে চাই : সিসিক প্রশাসক

সুন্দর নগর গড়তে সবার সহযোগিতা চেয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই সুন্দর নগর গড়া সম্ভব নয়। নগরবাসী রাস্তা ও ড্রেনে ময়লা আবর্জনা ফেললে সিটি করপোরেশন চাইলেও নগর পরিষ্কার রাখতে পারবে না।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
সিলেট নগরীর নয়াসড়কে মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন করেন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
সিলেট নগরীর নয়াসড়কে মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন করেন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী |নয়া দিগন্ত

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সুন্দর সিলেট নগরী গড়তে মশক নিধনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। এই নগরীর মানুষ মশার কামড়ে অতিষ্ঠ। আমি এই যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে চাই। তাই দায়িত্ব নিয়ে তিন দিনের মাথায় মশক নিধন অভিযান শুরু করেছি।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর নয়াসড়কে বিশেষ মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরো বলেন, দেশবাসী ভোট দিয়ে বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে সিলেট নগরবাসীর সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই।

সুন্দর নগর গড়তে সবার সহযোগিতা চেয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই সুন্দর নগর গড়া সম্ভব নয়। নগরবাসী রাস্তা ও ড্রেনে ময়লা আবর্জনা ফেললে সিটি করপোরেশন চাইলেও নগর পরিষ্কার রাখতে পারবে না। তাই আমার অনুরোধ আপনারা যথাস্থানে ময়লা ফেলবেন। সিটি করপোরেশন ময়লা সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে।

রাস্তায় ময়লা না ফেলতে ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা একটি ডাস্টবিনে আবর্জনা ফেলবেন। পরে সেগুলো সিটি করপোরেশনের গাড়িতে তুলে দেবেন।

মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ প্রমুখ।

শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। প্রশাসকের নির্দেশে সিটি কর্পোরেশনের জনস্বাস্থ্য বিভাগ নগরীর ১, ২, ৪, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান শুরু করে।