কুমিল্লা মুরাদনগরের ধামঘর ইউনিয়নের পরমতলায় তারেক রহমান রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তারের ওপর মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়- রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে মুরাদনগরের ধামঘর ইউনিয়নের পরমতলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে লিফলেট বিতরণ করে উপজেলা মহিলা দল।
এসময় উপজেলা মহিলা দলের অর্ধশতাধিক মহিলা ও প্রায় ৩০ জন পুরুষ ছিলেন। এই জনসমাগমের মাঝে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তারকে টার্গেট করে পেছন থেকে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয় ধামঘরের আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের ঘনিষ্ঠ সহচর সাজ্জাদ হোসেন। এতে তাহমিনা আক্তার গুরুতর জখম হন। তার হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় প্রচন্ড আঘাতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
উপস্থিত জনতা কাজী তাহমিনাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং ঘাতক মোটরসাইকেল ও তার চালক আওয়ামী লীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ করে।
কাজী তাহমিনার সাথে থাকা উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ছিনু আক্তার বলেন, ‘তাহমিনা আপার সাথে আমরা ৬০/৬৫ জন নারী ও ৩০/৩৫ জন পুরুষ ছিলাম। এর মাঝে আপা ছিলেন জনসমাগমের মাঝে অথচ আপার আশে পাশের কারো ওপর মোটরসাইকেল না উঠিয়ে সভাপতি তাহমিনা আপার ওপরে ইচ্ছাকৃতভাবেই মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয়। সাথে সাথেই আপা লুটিয়ে পড়ে। এটা পরিকল্পিত হামলা এবং আওয়ামী লীগের চলমান ষড়যন্ত্রের অংশ।’
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া বলেন, ‘কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ দাদার আস্থাভাজন নেতাকর্মীদের টার্গেট করে আওয়ামী লীগ, এনসিপি ও জামায়াত পরিকল্পিতভাবে হত্যার ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তারের ওপর হামলা করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘হামলাকারী সাজ্জাদ ফ্যাসিস্টের দোসর। ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের প্রভাব দেখিয়ে মানুষকে হামলা মামলা করার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি করতো। এখনো সে উপজেলা ভূমি অফিসে কিভাবে বহাল থাকে?’
আহত কাজী তাহমিনা আক্তারকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক কুমিল্লায় রেফার্ড করেছেন।



