ভারতে ১৭ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৩৬ যুবক

ভারতে গার্মেন্টসে ভালো কাজের আশায় ৩৬ বাংলাদেশী যুবক অবৈধপথে দালালের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাই গিয়েছিলেন। পরে অনুপ্রবেশের দায়ে সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। এরপর দেশটির আদালত তাদের ১৭ মাস সাজা দিয়ে চেন্নাই কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩৬ যুবককে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে
ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩৬ যুবককে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে |ইউএনবি

ভারতে ১৭ মাস কারাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৩৬ বাংলাদেশী যুবক।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

ফেরত আসা যুবকরা বগুড়া, খুলনা, নাটোর, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, ভারতে গার্মেন্টসে ভালো কাজের আশায় ৩৬ বাংলাদেশী যুবক অবৈধপথে দালালের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাই গিয়েছিলেন। পরে অনুপ্রবেশের দায়ে সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। এরপর দেশটির আদালত তাদের ১৭ মাস সাজা দিয়ে চেন্নাই কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরেন।

ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

ফেরত আসা এক যুবক বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে ভারত গিয়েছিলাম। সেখানকার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে খুব ভালো লাগছে।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের মাঠ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা যুবকদের গার্মেন্টসে কাজ দেয়ার কথা বলে দালাল চক্র তাদের ভারতে নিয়ে যায়। পরে তারা সেখানে প্রতারণার শিকার হন।

আজ শুক্রবার তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সূত্র : ইউএনবি