বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং জানাজার কারণে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য সিলেট প্রেস ক্লাব নির্বাচন একদিন পিছিয়েছে। এখন বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভার শুরুতে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানানো হয় এবং বাদ মাগরিব ক্লাব মসজিদে দোয়া করা হয়।
প্রেস ক্লাব সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ পরিস্থিতির কারণে প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পূর্ব নির্ধারিত তারিখ ৩১ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন সকাল বিকেল ৩টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত ক্লাব ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
একইদিন সকাল ১০টার দিকে শুরু হবে বার্ষিক সাধারণ সভা।
এর আগে, তফসিল অনুযায়ী গত ১৫ ডিসেম্বর প্রেস ক্লাব নির্বাচনের মনোনয়ন বিক্রি, ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিল এবং ২০ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এবার ১১টি পদের বিপরীতে ২০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী সভাপতি পদে দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- মুকতাবিস-উন-নূর ও ইকরামুল কবির।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছেন কবীর আহমদ সোহেল ও এম এ হান্নান।
সহ-সভাপতি পদে কামাল উদ্দিন আহমেদ, মো: আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া ও কবির আহমদ।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ও ইয়াহইয়া ফজল।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে খালেদ আহমদ ও সাকিব আহমদ মিঠু, কোষাধ্যক্ষ পদে ফয়সাল আমীন ও গোলজার আহমেদ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে শেখ আশরাফুল আলম নাসির ও শফিক আহমদ শফি এবং সদস্য পদে মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইন, আনাস হাবিব কলিন্স ও আব্দুল আউয়াল চৌধুরী শিপার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে একমাত্র প্রার্থী মো: মুহিবুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে।
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম, ব্লাস্টের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইরফানুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট সন্তু দাস।



