খাল খননে ময়মনসিংহ নগরীতে জলাবদ্ধতা কমেছে : প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান

‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান।’

মো: সাজ্জাতুল ইসলাম, ময়মনসিংহ

Location :

Mymensingh
ঈদ সামগ্রী বিতরণ করছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ অন্যরা
ঈদ সামগ্রী বিতরণ করছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ অন্যরা |নয়া দিগন্ত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘খাল খননসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে ময়মনসিংহ নগরীতে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বর্তমানে শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ সড়কে আর জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে না এবং অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ এলাকার সমস্যাও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে নগরীর টাউনহল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হতদরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান। একসময় বৃষ্টি হলেই ঢাকা ও ময়মনসিংহ শহরের সড়ক ডুবে যেত, কিন্তু এখন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, “বর্তমান সরকার বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও উপজেলায় উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে এবং শিগগিরই জেলার সব উপজেলায় তা সম্প্রসারণ করা হবে।”

ঈদের পর কৃষক কার্ড বিতরণও শুরু হবে বলে জানান তিনি।

ঈদ উপলক্ষে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে এবং এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘নগরীর প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হচ্ছে।’

তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ময়মনসিংহকে একটি আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন। এতে আরো বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আল মজীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শেষে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।