ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক দিলশানা পারুল নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
সোমবার (৯ জানুয়ারী) বিকেলে পৌর এলাকার সাভার থানা রোডের একটি রেস্টেুরেন্টে ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।
এ সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে শাপলা কলিতে ভোট দেয়ার সম্ভাবনা আছে এমন নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য সাভারের আশুলিয়ার বিএনপির আঞ্চলিক কর্মীদের বিরুদ্ধে হুমকি দেয়ার অভিযোগ করেন দিলশানা পারুল। তার অ্যাজেন্টদেরও নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন, ঢাকা-১৯ আসনে ভোটকেন্দ্র দখল করে জিতবেন, তাহলে তা ভুলে যান। আমরা ভোটকেন্দ্রে হাজির থাকব, কেউ যেন এই দুঃসাহস না করেন।
এর আগে, দিলশানা পারুল তার ইশতেহারে উল্লেখ করেন, তিনি বিজয়ী হলে সাভারকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও মাদকমুক্ত করবেন। ইশতেহারে তিনি সাভারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বংশী ও তুরাগ নদ-নদীকে দূষণ ও দখলমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
দিলশানা পারুল বলেন, ‘ভোটাররা নিঃসংকোচে ও নির্ভয়ে ভোট দেবেন। ভোটারদের ভোট যাতে ভোট বাক্সে থাকে, তা রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার যদি না পারে, কোনো একটা দলের দিকে যদি ঝুঁকে যায়, ভোট গণনায় যদি এদিক-ওদিক করে, তাহলে আমরা তা ঠেকাব। এবার ভোটকেন্দ্রে অন্য রকম কিছু করার আগে চিন্তা করতে হবে। এবার ভোট কিন্তু সহজ হবে না।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘ঢাকা-১৯ আসনে কারচুপি করে বিজয়ী হলে পাঁচ বছর কিভাবে রাজনীতি করেন, আমরা তা দেখে নেবো।
দিলশানা পারুল বলেন, ‘আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলাম, একটি ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের কারচুপি ও জবরদখলের চেষ্টা করলে তাদের জন্য পাল্টা থ্রেট দিয়ে রাখলাম। আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে, আন্দোলন করে তারপর মাঠে এসেছি। এমনি এমনি নয়। মনে রাখবেন, দিলশানা পারুলরা ভয় পায় না।’
নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার আইনবিষয়ক সেক্রেটারি অ্যাডভোটে মো: শহিদুল ইসলাম, রাজনৈতিক সেক্রেটারি হাসান মাহবুব মাস্টারসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।



