ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে নদীর দু’পারে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিট থেকে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা এরিয়া অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুস সালাম ও দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক নুর মোহাম্মদ ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেরি সেক্টরের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, কুয়াশার প্রকোপ এতটাই তীব্র ছিল যে ফেরি মাস্টাররা নিকটবর্তী কোনো বস্তু পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিলেন না। ফলে যে কোনো ধরনের নৌ-দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম থাকায় উভয় ঘাটে তেমন কোনো ভোগান্তি নেই। এই রুটে বহরে থাকা চলাচলরত ১০টি ফেরির মধ্যে ছয়টি ফেরি দৌলতদিয়া ঘাটে ও চারটি ফেরি পাটুরিয়া ঘাটে রয়েছে। তবে মাঝ নদীতে কোনো ফেরি আটকা পড়েনি।
এদিকে দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত লঞ্চ সুপারভাইজার মো: মিলন মিয়া জানান, ঘন কুয়াশার কারণে এ রুটে চলাচল ১৬টি লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। দৌলতদিয়ায় ছয়টি ও পাটুরিয়া ঘাটে ১০টি লঞ্চ আটকে রয়েছে।
ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় নদীর দু’পারের বেশকিছু পণ্যবাহী ট্রাক, বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহন আটকে থাকতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় কুয়াশা থাকলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, নৌপথের দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হলে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হবে।



