চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন

চুয়াডাঙ্গায় শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Location :

Chuadanga
চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন
চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন |নয়া দিগন্ত

চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা বাস টার্মিনালসংলগ্ন চেম্বার অব কমার্স ভবনে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা শাখার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি কাইয়ুম উদ্দিন হিরকের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মহসিন এমদাদুল্লাহ জামেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো: রুহুল আমিন এমপি, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি এবং মেহেরপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুর রউফ মুকুল।

সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আবুল কাশেম লিটনসহ চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের বিশাল অবদান রয়েছে। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র, সরকার বা জনপ্রতিনিধিরা শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে আন্তরিক ভূমিকা পালন করেছেন—এমনটি কখনো দেখা যায়নি। ফলে সবার ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও শ্রমিকদের ভাগ্য অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে। আর এই কারণেই আমরা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।’

শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা উচিত উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, ২০২৩ সালে শিল্পখাতে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান বাজারে এই সামান্য টাকা দিয়ে একটি পরিবার কীভাবে চলবে?

তিনি আরো বলেন, ‘একটি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে শ্রমিকদের সাথে বৈষম্যহীন আচরণ করতে হবে। তাদের অসম্মান না করে যোগ্য সম্মান দিতে হবে।’

একই সাথে তিনি শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, চিকিৎসাসেবা ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।