দর্শনায় বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ঢুকে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি, তদন্তে পুলিশ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা

Location :

Damurhuda
দর্শনায় বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ঢুকে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি
দর্শনায় বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ঢুকে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি |নয়া দিগন্ত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটিকে শহীদ মিনারের অবমাননা ও নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবির স্ক্রিনশট ঘিরে বিষয়টি সামনে আসে। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: হুমায়ুন কবির জানান, গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ২টার পর বিদ্যালয় ছুটি হয়ে যায় এবং সব গেট তালাবদ্ধ করা হয়।

তাদের ধারণা, ছুটির পর কোনো একসময় বহিরাগত কিছু যুবক অবৈধভাবে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে শহীদ মিনারে মেয়েদের ব্যবহৃত আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি তুলে তা ফেসবুকে প্রচার করে।

তিনি আরো বলেন, এর আগেও বহিরাগতদের বিদ্যালয়ে ঢুকে দেয়ালে অশালীন ও আপত্তিকর কিছু লিখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা আমরা নিয়মিত মুছে ফেলেছি। তবে এবারের ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এটি শুধু শহীদ মিনারের অবমাননাই নয়, আমাদের ছাত্রীদের প্রতিও অসম্মানজনক আচরণ। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

ঘটনাটি স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শহীদ মিনারের মতো সংবেদনশীল স্থানে নিরাপত্তা জোরদার এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী

এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ গ্রহণের পর জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’