আবুল কালাম আজাদ

মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিকায়ন করা হবে

‘উপকূলের মায়েদের যেন সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ১৩০ কিলোমিটার দূরে খুলনা শহরে যেতে না হয়, সে ব্যবস্থা স্থানীয়ভাবেই গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যমান সঙ্কটগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা

Location :

Khulna
বক্তব্য রাখছেন এমপি আবুল কালাম আজাদ, (ডানে) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন
বক্তব্য রাখছেন এমপি আবুল কালাম আজাদ, (ডানে) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন |নয়া দিগন্ত

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দিতে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে আধুনিক ও উপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। খুব শিগগিরই কয়রাবাসী উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। কয়রা ও পাইকগাছার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।’

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর উদ্বোধন ও চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘উপকূলের মায়েদের যেন সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ১৩০ কিলোমিটার দূরে খুলনা শহরে যেতে না হয়, সে ব্যবস্থা স্থানীয়ভাবেই গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যমান সঙ্কটগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ রেজাউল করিম নবনির্বাচিত এমপি আবুল কালাম আজাদকে স্বাগত জানান। পরে নবনির্বাচিত এমপি চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সঙ্কট, সুপেয় পানির অভাব, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সড়ক সংস্কার, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন সঙ্কটসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। এমপি আবুল কালাম আজাদ দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

এছাড়া পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের ফার্মেসিতে সরবরাহকৃত ওষুধের মান ও সংরক্ষণব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলার সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়ালিউল্লাহ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, আমাদী ইউনিয়ন আমির মাওলানা শাজ্জাদুল ইসলাম, বাগালী ইউনিয়ন আমির হাফেজ আব্দুল হামিদসহ প্রমুখ।