আনোয়ারায় স্কুল ফিডিং উদ্বোধনের দিনেই খাবার পায়নি শিক্ষার্থীরা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। গাড়ির তেল সঙ্কটের কারণে ঠিকাদার যথাসময়ে খাবার নিয়ে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে ভবিষ্যতে এমন দেরি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন।’

মো: নূরুল কবির, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)

Location :

Anwara
স্কুল শেষ হওয়ার পরও মিড ডে মিলের জন্য অপেক্ষমান মধ্য গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
স্কুল শেষ হওয়ার পরও মিড ডে মিলের জন্য অপেক্ষমান মধ্য গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা |নয়া দিগন্ত

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় উদ্বোধনের দিনেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার পৌঁছানোর কথা থাকলেও বিকেল পর্যন্তও খাবার পৌঁছায়নি।

রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ১০টায় আনোয়ারা উপজেলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচি উদ্বোধন হলেও প্রথম দিন খাবার পায়নি শিক্ষার্থীরা।

উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে খাবার না পৌঁছানোর কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

উপজেলার আনোয়ারা অগ্রযাত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরোয়ার আলম বলেন, ‘বিকেল ৩টা পর্যন্ত মিডডে মিল পৌঁছায়নি। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।’

মধ্য গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আবছার জানান, ‘বিকেল ৪টা পর্যন্ত আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো মিডডে মিল পৌঁছায়নি। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে জানানো হয়, গাড়িতে তেল না থাকায় পৌঁছাতে সময় লাগবে।’

একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক পরেও খাবার না পৌঁছানোয় শিক্ষার্থীরা না খেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে, যা কর্মসূচির সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: হিন্দোল বারী বলেন, ‘যথাসময়ে ফিডিং স্কুলে না পৌঁছানোর কারণে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। গাড়ির তেল সঙ্কটের কারণে ঠিকাদার যথাসময়ে খাবার নিয়ে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে ভবিষ্যতে এমন দেরি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন।’

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।