ভোটের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি চলাচল একবারে কম। মাঝে মধ্যে দুই-একটি বাস চলাচল করলেও গণপরিবহন ও পণ্যপরিবহন নেই বললেই চলে। সড়কে লোকজনও তেমন চোখে পড়েনি। অথচ এ সড়কে কয়েক মিনিটে শত গাড়ি চলাচল করে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। একই দৃশ্য শুক্রবারও দেখা গেছে। হাতে গোনা দুই-একটি গাড়ি ছাড়া তেমন যান চলছে না। বাসস্ট্যান্ডগুলো একেবারে ফাঁকা। কোনো যাত্রী নেই। সড়কের মিরসরাইয়ের ধুমঘাট থেকে সীতাকুণ্ডের সিটি গেট পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটারে এমন চিত্র দেখা গেছে।
শামীম বাসস্ট্যান্ডের মালিক শামীম বলেন, ‘গতকাল গাড়ি বন্ধ থাকায় শুক্রবারও যান চলাচল প্রায় বন্ধ। দূরপাল্লার দুই-একটি গাড়ি চলাচল করছে। লোকজন ভোট করে ক্লান্ত, তাই হয়তো ঘর থেকে বের হচ্ছে না।’
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘রাস্তায় তেমন গাড়ি নেই। একেবারে ফাঁকা। সকাল থেকে কয়েকটি রিজার্ভ ভাড়া পেয়েছি।’
উত্তরা বাসের চালক নুর উদ্দিন বলেন, ‘সকালে মাদারবাড়ি থেকে বাস ছেড়েছি। কিন্তু রাস্তায় তেমন যাত্রী নেই। দুপুরের পর হয়তো যাত্রী বাড়তে পারে।’
জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ‘ছুটির কারণে মানুষের আনাগোনা কম। তাই রাস্তায় গাড়িও কম। আমাদের টিম রাস্তায় টহলে রয়েছে।’



