মিনাজুল ইসলাম মিজান, সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বগুড়ার বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ভোটের তাপমাত্রা তুঙ্গে উঠেছে। ভোটারদের মধ্যে দৃশ্যমান উদ্দীপনা এখনো তুলনামূলক কম হলেও প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়া হাট-বাজার ও চায়ের স্টলগুলোতেও নির্বাচনী আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে।
ওই আসনে পাঁচজন প্রার্থী নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। তারা হলেন: বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সাবেক এমপি কাজি রফিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত ডাব প্রতীকের মো: আসাদুল ইসলাম এবং গণফোরামের সূর্য প্রতীকের প্রার্থী জুলফিকার আলী।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কাজি রফিকুল ইসলাম ইতোমধ্যে একবার জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নিবার্হী সদস্য। আর জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন দুইবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, তিনি জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতমাথা পত্রিকার সম্পাদক। অন্যদিকে, অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মাঠ পর্যায়ে কম সক্রিয়।
স্থানীয়রা বলছেন, উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিকে বিবেচনা করে অনেকেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি আস্থা রাখছেন। তবে কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিশ্রুতির কারণে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি তরুণ ভোটারদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার বলেন, ‘বগুড়া-১ আসনে অতীতে একাধিকবার বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এবার সমীকরণ ভিন্ন; সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট হলে জামায়াতের প্রার্থী এগিয়ে।’
এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ ও উত্তেজনা স্পষ্ট। প্রতিটি পদক্ষেপে নজর রাখা নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোটারদের সচেতনতা ও তৃণমূলের অংশগ্রহণ নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে।



