মাওলানা আবুল কালাম আজাদ

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে

‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা হবে। যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে এবং এক হাতে সনদ, অন্য হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হবে।’

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা

Location :

Koyra
কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ |নয়া দিগন্ত

খুলনা-৬ (কয়রা–পাইকগাছা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা হবে। যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে এবং এক হাতে সনদ, অন্য হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হবে।’

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কয়রা–পাইকগাছা উপজেলাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত জনপদে রূপ দিতে হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে জামায়াত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা নিজেরাও দুর্নীতি করবো না, কাউকেও করতে দেব না। আগামীর বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, অনিয়ম ও দুঃশাসনের কোনো স্থান থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, অবহেলিত জনপদের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কয়রাকে পৌরসভায় উন্নীত করা হবে। জামায়াত বিজয়ী হলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন উন্নয়ন, সড়ক-মহাসড়ক, কালভার্ট নির্মাণসহ স্কুল-মাদরাসার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বনদস্যু নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আগামী ১২ তারিখে সকল প্রকার ভয়ভীতি ও পেশিশক্তিকে উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

নির্বাচনী জনসভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের সাবেক কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ আসনের সাবেক এমপি অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, খুলনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সহকারি সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, খুলনা মহানগর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী, জামায়াত নেতা আমিনুর ইসলাম, খুলনা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কয়রা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোল্যা শাহাবুদ্দিন, এনসিপির খুলনা জেলা সদস্য নাসরুল্লাহ শরীফ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আলিমুল হক, খুলনা জেলা ছাত্রশিবিরের দক্ষিণ সভাপতি আবু জার গিফারি, সেক্রেটারি মো: ওয়েজকুরুনী, জামায়াত নেতা মাওলানা জিএম রফিকুল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন, উপজেলার হিন্দু বিভাগের সেক্রেটারি কিরণ চন্দ্র মন্ডল, কয়রা ইউনিয়ন আমির গাজী মিজানুর রহমান, মহারাজপুর ইউনিয়নের আমির মাস্টার সাইফুল্লাহ হায়দার, উওর বেদকাশী ইউনিয়নের আমির মাস্টার নূর কামাল, বাগালী ইউনিয়নের আমির হাফেজ আব্দুল হামিদ, আমাদী ইউনিয়নের আমির মাওলানা সাজ্জাদুল ইসলাম, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের আমির মৌলভী আবু সাঈদ, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত আমির ডা: ইসহাক খান, ছাত্রশিবিরের দক্ষিণের সভাপতি আসমাতুল্লাহ আল গালিব, সাথী শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।