দীর্ঘ পাঁচ মাস ২০ দিন তদন্তের পর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আলোচিত সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেখানো স্থান থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটিও উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৩ জানুয়ারি গভীর রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা ওয়াহিদুল হকের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তার মেয়ে সানজিদার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে নবাবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বিরামপুর উপজেলার ক্যাটরা গ্রামের বাসিন্দা হবিবর রহমানের ছেলে গোলাম মোর্শেদকে (২৫) শনাক্ত করা হয়। তবে এরই মধ্যে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার একটি হত্যা মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন।
পরে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি সানজিদা হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রী বর্মা বলেন, আসামির দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিহতের বাড়ির রান্নাঘর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান। ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



