আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা রোধে মাঠে তৎপর রাসিক প্রশাসক

‘আমাদের লক্ষ্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রেখে নাগরিক দুর্ভোগ কমানো। এ কাজে আমি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।‘

আব্দুল আউয়াল, রাজশাহী ব্যুরো

Location :

Rajshahi
ড্রেন পরিষ্কার কাজের তদারকি করছেন রাসিক প্রশাসক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন
ড্রেন পরিষ্কার কাজের তদারকি করছেন রাসিক প্রশাসক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন |নয়া দিগন্ত

আগামী বর্ষা মৌসুমে রাজশাহী মহানগরীতে জলাবদ্ধতা রোধে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো: মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে রাসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ।

এ উপলক্ষ্যে নগরীর প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ড্রেন থেকে এক্সেভেটরের মাধ্যমে কাদামাটি অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের মাধ্যমে ছোট ড্রেনগুলো থেকেও কাদামাটি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ জোরদার করা হয়েছে।

আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে নাগরিক ভোগান্তি কমাতে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি দিন-রাত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন।

শনিবার (২ মে) রাত সাড়ে ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর বর্ণালী মোড় ঢালান, ভেড়িপাড়া, আদর্শ পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক।

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর বর্ণালী, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মথুরডাঙ্গা, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আপেল ডেকোরেটরের মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করেন মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় তিনি ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। বর্ষা মৌসুমের আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। আগামী বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় দিনে কাজ করলে জনভোগান্তি সৃষ্টি হতে পারে, সেসব এলাকায় রাত্রীকালীন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রেখে নাগরিক দুর্ভোগ কমানো। এ কাজে আমি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।‘

তিনি আরো বলেন, ‘অনেক ভবন মালিক তাদের বাড়ির সামনে ড্রেনের ওপর স্থায়ীভাবে ঢালাই করে ড্রেনের পকেট বন্ধ করে দিয়েছেন, কোথাও ৪০ ফুট, কোথাও ৫০ ফুট পর্যন্ত। এতে ড্রেন পরিষ্কার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ, ড্রেনের ওপর স্থায়ী ঢালাই করে ড্রেনের পকেট বন্ধ করবেন না।’

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো: মামুন ডলার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।