ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় গাইবান্ধা-২,৩ ও ৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে সিপিবি, গণঅধিকার পরিষদসহ আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এতে এসব আসনের মনোনয়ন দাখিলকারী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জনতার দলের মনজুরুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান ও এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদির মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রউফ আকন্দের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া বাকী পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) শ্রী নিরমল, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) সামিউল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মেহেদী বিদ্যুৎ ও সুজাউদ্দৌলা সাজুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া মনোনয়ন দাখিলকারী বাকী সাতজনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, সিপিবি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট আটজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ নিয়ে জেলার সংসদীয় পাঁচ আসনে ৪৫ জন মনোনয়ন দাখিলকারী প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং বাকী ২৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হলো।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৫-৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ১০-১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
এছাড়া প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।



