রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেছেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে পরিবার থেকেই। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবার একসাথে কাজ করলে দুর্নীতিমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
রোববার (২ আগস্ট) বেলা ১১টায় নগরীর একটি কনফারেন্স রুমে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ও মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় মহানগরীর মাধ্যমিক পর্যায়ের আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় মোট ১৭ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীকে সান্ত্বনা পুরস্কার দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাজশাহীর সহকারী পরিচালক মো: তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী।
স্বাগত বক্তব্য দেন মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হুদা দুলু।
এ সময় মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আব্দুর রোকন মাসুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো: হুমায়ূন কবীর এবং মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাবলু।
উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো: মাহবুবুর রহমান।
দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী আওসাফ নাহিয়ান আদিব।
অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এই অর্জন আমাকে আরো দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রাণিত করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে যুক্তির শক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। ভবিষ্যতেও সততা ও নৈতিকতার পক্ষে কথা বলব।’
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন রিভার ভিউ কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষার্থী মেহরিমা হাসান অরণি।
তিনি বলেন, ‘চিত্রের মাধ্যমে দুর্নীতির ক্ষতিকর দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। প্রথম হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে সমাজসচেতনতামূলক কাজ করতে আমাকে আরো উৎসাহিত করবে।’



