পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে উপজেলা বিএনপি নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এক হিন্দু ফল ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সংবাদ সম্মেলন করেছেন ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে নির্মল দাসের স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
অভিযুক্ত মো. সুজন সিকদার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের মৃত শাহজাহান সিকদারের ছেলে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নির্মল দাস মির্জাগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্মল দাস বলেন, “আমি সুবিদখালী বাজারের একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছি। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সুজন সিকদার আমার কাছে দীর্ঘদিন ধরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পশ্চিম সুবিদখালী এলাকায় বাসা থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে তিনি আবারও চাঁদা দাবি করেন। আমি অস্বীকার করলে তিনি ও তার সহযোগীরা আমাকে মারধর করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন।”
তিনি আরো বলেন, “আমি পরিবার নিয়ে এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। সাংবাদিকদের মাধ্যমে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”
অভিযোগ অস্বীকার করে মো. সুজন সিকদার বলেন, “নির্মল দাসের ছেলে ঋত্বিক দাস মাদকসেবীদের সাথে মেলামেশা করে। বিষয়টি তার বাবাকে জানালে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন। তাকে কোনো মারধর করা হয়নি; কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে। চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন নান্নু বলেন, “চাঁদাবাজ যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস ছালাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



