‘বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হবে।’ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এ কথা বলেছেন।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে রোববার রাতে হযরত গেদু শাহ্ চিশস্তি (রহ.) এর ৪৯তম বাৎসরিক ওরশ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, আপনাদের নিয়েই আমি কাজ করতে চাই, আপনাদের পাশে থাকতে চাই। ওয়াজ মাওফিলে যেমন আমি গিয়েছি। যারা ওরশ মাহফিল করেন তাদের পাশে থাকাটাও আমার দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্রের অংশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রত্যেক মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে। কাউকে জোর করে বাধা দেয়া, হামলা চালানো কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এই ধরনের ঔদ্ধত্য আমরা দেখাবো না। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা বাড়বে নৈরাজ্য হবে।
চাঁদাবাজি ও জনভোগান্তির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষসহ সবাই নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন। ৫ আগস্টের পর থেকেই বলে আসছি ব্যবসা পরিচালনা করতে কাউকে এক পয়সাও চাঁদা দিতে হবে না।
তিনি আরো বলেন, পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) উপজেলাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক ও ইসলামী দলের মানুষের একসাথে অংশগ্রহণকে তিনি নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। ওরশ মাহফিলে এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।



