খাগড়াছড়িতে জুলাই শহীদ মজিদের কবর জিয়ারত করল জামায়াত

করব জিয়ারত শেষে জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন শহীদের বাবা মতিন মিয়ার হাতে জামায়াতের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি শহীদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

Location :

Khagrachari
কবর জিয়ারত শেষে দোয়া পরিচালনা করছেন জেলা আমির সৈয়দ আব্দুল মোমেন
কবর জিয়ারত শেষে দোয়া পরিচালনা করছেন জেলা আমির সৈয়দ আব্দুল মোমেন |নয়া দিগন্ত

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জুলাই শহীদ মো: মজিদ হোসেনের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে দলটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা জামায়াত শহীদের কবর জিয়ারত করে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ কবর জিয়ারতের আয়োজন করা হয়।

করব জিয়ারত শেষে জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন শহীদের বাবা মতিন মিয়ার হাতে জামায়াতের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি শহীদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, পঙ্গুত্ববরণকারী ও আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, শহীদ মজিদ হোসেনের পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে জামায়াত সব সময় পাশে থাকবে এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে।

Khagrachhari District Amir inquired about the well-being of Shahid's family and relatives.

শহীদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কথা বলছেন জেলা আমির সৈয়দ আব্দুল মোমেন

এ সময় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি আব্দুস সাত্তার, রামগড় উপজেলা জামায়াতের আমির ফায়েজুর রহমান ও সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৬ বছর বয়সি শহীদ মো: মজিদ হোসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ রেললাইনের পাশে আগুনে পুড়ে মারাত্মক আহত হন। সেই সময় তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাজীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পরে ২০ জুলাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ জুলাই তিনি মারা যান। পরদিন ২৬ জুলাই রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার একমাত্র জুলাই শহীদ।