সাটুরিয়ায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে চলছে ভোটগ্রহণ

সকাল থেকেই নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি ভোটকেন্দ্রের বাইরে অনেকটা দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Saturia
ভোটকেন্দ্র
ভোটকেন্দ্র |নয়া দিগন্ত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সাটুরিয়ার প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতির খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে সাভার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকেই নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি ভোটকেন্দ্রের বাইরে অনেকটা দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। তবে এ আসনে নয় প্রার্থীর মধ্যে কোনো কোনো প্রার্থী ভোটকেন্দ্রে কোনো অ্যাজেন্ট দিতে পারেনি।

ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ, আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের টহল দিতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ভোটকেন্দ্র ও ভোট কক্ষ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসা গৃহবধূ সোনিয়া বলেন, ‘প্রথমবার ভোট দিতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখে ভালো লাগছে। নিজের ভোট নিজে দিতে পারছি।’

ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশের এএসআই আমিনার রহমান বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছি। ভোটাররা কোনো বাধা ছাড়াই কেন্দ্রে আসতে পারছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

সাভার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে সুশীল কুমার বসাক (প্রিজাইডিং অফিসার) বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ৮টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত পাঁচটি বুথে ১৭৩টি ভোট প্রদান হয়েছে। নয় প্রার্থীর মধ্যে পাঁচ প্রার্থীর অ্যাজেন্টের তালিকা পেয়েছি।’

ভোট নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, ‘ভোটগ্রহণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’