তাহিরপুরে জমির বিরোধে ৬ জনকে কুপিয়ে জখম, দুইজন আইসিইউতে

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুন্দর পাহাড়ী গ্রামের আব্দুল ছালামের পরিবারের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত মামলা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আব্দুল হাই ২০-২৫ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুস সালামের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে মধু মিয়া, আবুল কাশেম, শের আলী, বিপ্লব, সাফিয়া বেগম ও আব্দুল ছালামসহ ছয়জনকে গুরুতর আহত করে।

Location :

Sunamganj
এ ঘটনায় তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
এ ঘটনায় তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে |নয়া দিগন্ত

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় মামলা দায়ের করার জের ধরে ৬ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় দুই জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

রোববার সকালে(২৬ জুলাই) সকালে ‎উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সুন্দর পাহাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎এ ঘটনায় আহত আব্দুল ছালাম আব্দুল হাই, উজ্জ্বল মিয়া, মাসুক মিয়া, রহিম মিয়া, নয়ন মিয়া, জাকির মিয়া, ফরিদ মিয়া ও শেফালী বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরো চার থেকে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

‎মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুন্দর পাহাড়ী গ্রামের আব্দুল ছালামের পরিবারের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত মামলা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আব্দুল হাই ২০-২৫ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুস সালামের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে মধু মিয়া, আবুল কাশেম, শের আলী, বিপ্লব, সাফিয়া বেগম ও আব্দুল ছালামসহ ছয়জনকে গুরুতর আহত করে।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মধু মিয়া, আবুল কাশেম ও সাফিয়া বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকা মধু মিয়া ও আবুল কাশেম আইসিইউতে রয়েছে।

‎বাদি সালাম মিয়া জানান, ওই হামলার পর প্রাণনাশের হুমকি দিয়েও ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।