রংপুরের মিঠাপুকুরের বৈরাতি হাট ইজাদারাদারকে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় মিঠাপুকুরের বৈরাতি হাট ইজারাদার আবেদ আলীকে এই জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: পারভেজ।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ‘ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাটটিতে অভিযান পরিচালনার সময় আমরা অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের বিষয়টি হাতেনাতে ধরে ফেলি। আমরা প্রমাণ পাই ইজারাদারের নির্দেশে ক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত ৬০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ এবং বিক্রেতার কাছ থেকে আইন না থাকলেও ৩০০ টাকা হাসিল আদায় করছেন লেখকরা। এ ঘটনায় হাটবাজার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
সকল হাটে এই অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গঙ্গাচড়া বেতগাড়ি হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের জন্য ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।
শুধু এই হাটেই নয়, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সরকারি পেরিফেরিভুক্ত সাড়ে পাঁচ শতাধিক গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে গড়ে গরুপ্রতি ৭০০ টাকারও বেশি হাসিল আদায় করছে ইজারাদার সিন্ডিকেট।
রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, হাটবাজারগুলোতে শক্ত মনিটরিং করা হচ্ছে। যেখানেই অভিযোগ প্রমাণ হচ্ছে সেখানেই জরিমানা করা হচ্ছে।
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক শাহিনুর রহমান বলেন, ‘এবার উত্তরাঞ্চলে ৩৯ লাখ পশু বিক্রির টার্গেট নিয়ে চলছে বেচাবিক্রি। গরুপ্রতি ৬০০ টাকা করে অতিরিক্ত নিলেও ইজারাদারদের পকেটে ঢুকবে ২৩৪ কোটি টাকা। প্রশাসনের সাথে বিশেষ সখ্যতার মাধ্যমেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের পকেট মারছে ইজারাদার সিন্ডিকেট। এ বিষয়ে শক্ত পদক্ষেপ জরুরি।’



