নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যুবলীগ নেতা বৈষম্যবিরোধী একাধিক হত্যা মামলার আসামি মেহেদী হাসান শাহিনকে (৪০) তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
সোমবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর সাহার সিটি মাঠ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মেহেদী হাসান শাহিন ফতুল্লা ইউনিয়ন ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরের আবুল মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।
৫ আগস্টের পর যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান শাহিন আত্মগোপন চলে যায়। কোরবানি ঈদে তিনি ফতুল্লা দাপা ইদ্রাকপুর সাহার সিটি মাঠ এলাকায় ভাড়া বাসায় দ্বিতীয় স্ত্রীর ফ্লাটে আশ্রয় নেন।
সোমবার রাতে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা শাহিন অবস্থানরত ওই বহুতল ভবনটির চারদিক দিয়ে ঘেরাও করলে বিষয়টি টের পেয়ে তিনি পাশের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে বাইরে থেকে তার স্ত্রীকে দিয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তা টের পেয়ে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে বাথরুমে লুকিয়ে থাকা শাহিনকে বের করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, শাহিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত ইয়াসিন, পারভেজসহ ফতুল্লা মডেল থানায় একাধিক বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলা রয়েছে।



