কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গুলি করে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতা-কর্মী হত্যার মামলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাল বেপারিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম ওরফে মানিক (৫৩)। তিনি বসুরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, নজরুল ইসলাম মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরসভার উপজেলা মসজিদ এলাকায় গুলিতে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতাকর্মী নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিহত জামায়াতকর্মী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো: আমিরুল ইসলাম মামলা করেন।
ওই মামলায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে বাদল, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নুরুজ্জামানসহ মোট ১১২ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের তালিকায় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো: শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপ-পরিদর্শক সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, শিশির কুমার বিশ্বাস ও উই ক্যা সিং মারমার নামও রয়েছে।



