সোনারগাঁওয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

রোববার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়িকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তৃষা ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Sonargaon

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় তৃষা (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়িকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তৃষা ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে সোনারগাঁও তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, তৃষার বোনকে আনতে যাওয়ার বিষয় নিয়ে রোববার সকালে তার শ্বশুরের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে তৃষা নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেন। দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের চালার কাঠের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্বামী সোহাগ ও স্বজনরা তাকে নামিয়ে আনার সময় তিনি মৃত ছিলেন।

অন্যদিকে নিহতের মামা জামাল হোসেন অভিযোগ করেন, প্রায় ছয় বছর আগে সোহাগের সাথে তৃষার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের কোনো সন্তান না হওয়ায় পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে ঝগড়ার একপর্যায়ে তৃষাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। তার ভাষ্য, ঘটনাস্থলে আত্মহত্যার কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকেই স্বামী সোহাগ পালিয়ে যান।

সোনারগাঁও তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সেলিম হোসেন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।”