দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আলমের সাথে বাগবিতণ্ডা এবং সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন দামুড়হুদা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল কাদের।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিএনপির নেতারা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা মাঠপর্যায়ে জনগণের সেবা ও আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করি। দায়িত্ব পালনের সময় বাধার মুখে পড়লে কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহা ও মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাজনৈতিক নেতারা প্রশাসনের সহযোগী হবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি দায়িত্ব পালনের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখা সবার দায়িত্ব। মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা কখনো অসৌজন্যমূলক আচরণ বা দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার পর্যায়ে যাওয়া উচিত নয়। প্রশাসনের সাথে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার সংস্কৃতি বজায় রাখাই কাম্য।’
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। পরে আমরা সবাই একসাথে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষমা চেয়েছেন।’



