সিলেট মহানগরীতে ছিনতাইকারী ও কিশোরগ্যাং নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ছিনতাইকারী ও কিশোরগ্যাং চক্রের ব্যাপারে কেউ তদবির করলে তাদেরও আটক করেন। কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নকারীদের ছাড় দেয়া হবে না।’
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আরিফুল হক চৌধুরী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের সাদা পোষাকে টহল বাড়াতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রত্যেক মার্কেটের সামনে সিসি ক্যামেরা নজরদারি বাড়াতে হবে।’
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘মা-বোনেরা সন্ধ্যার পরে মার্কেটে আসেন, তাই মার্কেটের ভেতরেও বিশেষত রাতে নজরদারি বাড়াতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সিলেটে মার্কেট এলাকার ভেতরে মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেবেন না। কারণ ছিনতাইকারী নিজেরাই পাঁচ থেকে সাতটি মোটরসাইকেলে আসে। ছিনতাই করেই তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। এটা একটা কৌশল। মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেটও থাকে না। রমজান মাসে অন্তত মোটরসাইকেল একটু নিয়ন্ত্রণে আনেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কিশোরগ্যাং বলে একটা গ্রুপ আছে, এরা ডেসপারেট। তাদের বিহাইন্ডে অন্যরা থাকতে পারে। এরা এই সাহস করে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো শক্তির বলে। সেই জায়গায় ভালো করে নজরদারি করেন। সে যে-ই হোক, আপনারা ডান-বাম তাকাবেন না। আমরা সবাই যেহেতু আপনাদের সমর্থন দিচ্ছি, কেবল অন্যায়ভাবে কারো প্ররোচনায় কাউকে ধরবেন না। আর জেনুইলি অপরাধী ধরলে তার জন্য কেউ রিকুয়েস্ট করলে তাকেও আপনারা আইনের আওতায় আনুন। তখন বুঝা যাবে কে এইটার পেছনে আছে। কোনো তদবির চলবে না।’
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে সভায় সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।



