সারাদেশের মতো সিলেটেও বেড়েছে হামের সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতিতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পৃথক আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের ৪ নম্বর ইউনিটকে ডেডিকেটেড করা হয়েছে। এখানে গত তিন দিনে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।
শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আইসোলেশন চালুর পর গত তিন দিনে ৩০ জন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ১৬ জন ভর্তি আছে।
এক শিশুর অভিভাবক জানান, তার দেড় বছরের শিশু বাচ্চাকে জ্বর, কাশি ও ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি করান ওসমানী হাসপাতালে। পরে তাকে বলা হয় বাচ্চার হাম হয়েছে। ৯ মাস বয়সে বাচ্চাকে হামের প্রথম টিকা দেয়া হয়েছে। ১৫ মাসের টিকা এখনো দেয়া হয়নি।
সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান জানান, এখানে গত তিন দিনে ৩০ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন বাড়ি ফিরে গেছে। আজ রোববার (২৯ মার্চ) তিনজন নতুন করে ভর্তি হয়েছে। রোগীদের মধ্যে নিউমোনিয়াসহ নানা জটিলতা রয়েছে। বর্তমানে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২০ ও ২২ বছরের দুই ভাই-বোন রয়েছেন। আর অন্যরা সবাই শিশু।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: মাহবুবুল আলম জানান, যেহেতু এটি ছোঁয়াচে রোগ, তাই প্রথম দিকে ওসমানীতে আলাদা আইসোলেশন করে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হয়। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় ২৬ মার্চ শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালকে আইসোলেশন কেন্দ্র করা হয়েছে।
সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: জন্মেজয় শংকর দত্ত জানান, পরিস্থিতি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আলাদা আইসোলেশনে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। সিলেট নগর, জেলা ও বিভাগের রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিচ্ছে।



