বিয়ানীবাজারে জনসভায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সেলিম উদ্দিন

রাজনীতি করতে আসিনি, উন্নয়ন করতে এসেছি

দুই উপজেলার প্রাণের দাবি গ্যাস সংযোগ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, কল্যাণমুখী শিক্ষা, বেকারদের কর্মসংস্থান এবং অসহায়দের জন্য তহবিল গঠনসহ বিভিন্ন কল্যাণকর কাজের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অনেক কাজ আগেই এগিয়ে রাখা হয়েছে, যা আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।

বিয়ানীবাজার (সিলেট) সংবাদদাতা

Location :

Sylhet
বিয়ানীবাজারে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সেলিম উদ্দিন
বিয়ানীবাজারে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সেলিম উদ্দিন |নয়া দিগন্ত

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত কারণে নিরপরাধ মানুষকে মামলা-বাণিজ্য কিংবা হয়রানি করে প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়; বিয়ানীবাজারে সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চাই। কারো রাজনৈতিক কার্যালয় বন্ধ করতে চাই না। যিনি ভোটে জিতবেন তিনি সরকার গঠন করবেন, ব্যর্থ হলে অন্য দল যাবে—এ নিয়ে অধৈর্য হলে চলবে না।

তিনি বলেন, আমি আমার জন্মস্থানে রাজনীতি করতে আসিনি, দুই উপজেলায় উন্নয়ন করতে এসেছি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে সহযোগিতা করবেন।

দুই উপজেলার উন্নয়ন ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১৭ মাসে দুই উপজেলার বিভিন্ন কাজের জন্য আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। এ সময়ে বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলদের কাছে আবেদন ও ধর্না দিয়ে অনেক কাজ এগিয়ে নিয়েছি। তবে অনেক কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে, যা আগামীতে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার পৌরসভার তিমুখী বাজারে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দুই উপজেলার প্রাণের দাবি গ্যাস সংযোগ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, কল্যাণমুখী শিক্ষা, বেকারদের কর্মসংস্থান এবং অসহায়দের জন্য তহবিল গঠনসহ বিভিন্ন কল্যাণকর কাজের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অনেক কাজ আগেই এগিয়ে রাখা হয়েছে, যা আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।

এ সময় তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে সরকারব্যবস্থা সংস্কারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে একটি দল সরকারকে অসহযোগিতা করেছে। দেশের মানুষের সংস্কারের দাবিকে উপেক্ষা করে তারা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে। তাই এই গণভোটে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে।

এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি মাহতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি কাউছার আহমদ ও উপজেলা শিবিরের সেক্রেটারি আবু সাইদের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ছাদউজ্জামান, পৌর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুনেবুর রহমান পাভেল, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এমাদ আহমদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা শিবির দক্ষিণের সভাপতি ফাতেহুল ইসলাম, ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক সজিবুল হক শপি প্রমুখ।