রাঙ্গামাটির কাউখালীতে ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের মধ্যে দিনভর ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এতে দু’পক্ষ অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলি বিনিময় করে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে থেমে থেমে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়।
কাউখালী থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশিত করেছেন।
নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার ভোর ৫টার দিকে কাউখালীর সীমান্তবর্তী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চৌচালা বিল এলাকায় ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় সন্তু লারমার জেএসএস। অপরদিকে কাউখালীর চেলাছড়া এলাকায় অবস্থান নেয় চুক্তিবিরোধী প্রসীত বিকাশ খীসার ইউপিডিএফ। এসময় দু’পক্ষের মাঝে অন্তত ২৫-৩০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। থেমে থেমে গোলাগুলি চলে দুপুর পর্যন্ত।
বেলা ২টার কিছু সময় পর দু’পক্ষই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। জেএসএস (সন্তু) গ্রুপ গুলি ছুড়তে ছুড়তে সামনে অগ্রসর হতে থাকলে কিছুটা পিছু হটে ইউপিডিএফ। এক পর্যায়ে বিবদমান দু’টি গ্রুপ উপজেলার ৩ নম্বর ঘাগড়া ইউনিয়নের জনুমাছড়া হয়ে নিজপাড়া এলাকায় দূরত্ব বজায় রেখে দু’টি পাহাড়ে অবস্থান নেয়।
সোয়া ২টা থেকে নিজপাড়া এলাকায় পুনরায় শুরু হয় ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ, শোনা যায় মুহুর্মুহু গুলির শব্দ। এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে থাকে। নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান অনেকে। এসময় জীবন বাঁচাতে নিজপাড়া এলাকায় সড়কে থাকা অনেকে মোটরসাইকেলসহ যানবাহন রেখে পালিয়ে যায়। তবে সেখানে কী পরিমাণ গুলি বিনিময় হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
কাউখালী থানার ওসি এনামুল চৌধুরী জানান, ‘সকালে দু’টি এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। তবে কোনো পক্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা জানার চেষ্টা চলছে।’



