প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম

খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে অর্থনীতিতে গতি আসবে

‘এই বিমানবন্দর চালু হলে মোংলা বন্দর, সুন্দরবন এবং পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এক অভূতপূর্ব গতি আসবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এবং আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নির্মাণ কাজ পুনরায় চালু করতে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হজরত খানজাহান আলী রা: বিমান বন্দরস্থল সরেজমিন পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম
হজরত খানজাহান আলী রা: বিমান বন্দরস্থল সরেজমিন পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম |সংগৃহীত

বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত সহজ করা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের প্রসারে খানজাহান আলী বিমান বন্দর নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিমানবন্দর চালু হলে মোংলা বন্দর, সুন্দরবন এবং পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এক অভূতপূর্ব গতি আসবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এবং আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নির্মাণ কাজ পুনরায় চালু করতে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের ফয়লা হজরত খানজাহান আলী রা: বিমান বন্দরস্থল সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, মোংলা বন্দরের বিপুল আমদানি-রফতানি বাণিজ্য, ইপিজেডের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী এবং সুন্দরবনকে ঘিরে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয়তা এখন সময়ের দাবি।

উল্লেখ্য, চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার-এর নেতৃত্বে একটি দল বিমানবন্দর প্রকল্প স্থল পরিদর্শন করে স্থানটি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কেডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: মান্নান হাওলাদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস