চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ২

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মো: নূরুল কবির, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)

Location :

Anwara
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ২
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ২ |নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘন ও ঋণখেলাপির অভিযোগে দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বিএনপির দক্ষিণ জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস নিজের মনোনয়নপত্রে নিজেই প্রস্তাবকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন, যা নির্বাচন বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি তিনি নিজেকে বিএনপির প্রার্থী দাবি করলেও দলীয় মনোনয়নের কোনো প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে পারেননি। এসব কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে তিনি চাইলে আইন অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন।

এ ছাড়া একই আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। ঋণখেলাপি হওয়ায় তার প্রার্থিতা গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এই আসনে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মোহাম্মদ এমরান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান এবং জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৫টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার মো: জিয়াউদ্দীন এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অপর একটি আসনে দায়িত্বে রয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে ৪ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রার্থীরা ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।