ওসমানীনগরে রাস্তা নিয়ে সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

শুক্রবার তারাবিহ নামাজ শেষে স্থানীয় মাশুক মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বৈঠকে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ছুরিকাঘাতে সামাদ আহমদ গুরুতর আহত হন।

ওসমানীনগর (সিলেট) সংবাদদাতা

Location :

Sylhet
ছুরিকাঘাতে নিহত সামাদ আহমদ
ছুরিকাঘাতে নিহত সামাদ আহমদ |নয়া দিগন্ত

সিলেটের ওসমানীনগরে রাস্তা ব্যবহার নিয়ে এক সালিশ বৈঠকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে সামাদ আহমদ (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের কিত্তে কমরপুর গ্রামের মাশুক মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সামাদ আহমদ উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের কিত্তে কমরপুর প্রকাশ সিকন্দরপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে।

ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। আজ শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। তবে, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

জানা যায়, একই গ্রামের রহিম উল্লাহর ছেলে আব্দুস সত্তার ও আব্দুল জব্বার গং-এর সাথে একটি রাস্তা ব্যবহার নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সামাদ আহমদের পরিবারের লোকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পরদিন শুক্রবার তারাবিহ নামাজ শেষে স্থানীয় মাশুক মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বৈঠকে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ছুরিকাঘাতে সামাদ আহমদ গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছয়জনকে আটক করে এবং নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের চাচাত ভাই সাজ্জাদ মিয়া বলেন, ‘রাস্তা নিয়ে সালিশ বৈঠকে সত্তার ও জব্বারের পরিবারের সাথে সংঘর্ষ হলে আমার চাচাত ভাই নিহত হন। আমরা এর বিচার চাই।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সাকির আহমদ বলেন, ‘আমি ওই বৈঠকে ছিলাম না। তবে সালিশ বৈঠকে মারামারিতে সামাদ নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।’

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুরমেদুল আলম ভূইয়া বলেন, ‘রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত হলে পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’