ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের চাপায় পাঁচজন নিহতের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার অবরোধ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের কারণে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
শনিবার রাত ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে মহাসড়কটিতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল।
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ডিমবোঝাই ট্রাকের চাকা ফেটে সেটি সড়কে উল্টে যায়। এতে সড়কে বিপুল পরিমাণ ডিম ছড়িয়ে পড়ে। ডিম কুড়াতে স্থানীয় লোকজন সড়কে নামলে ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেসের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে চারজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মহাসড়ক অবরোধ করে তিনটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা কয়েকটি যানবাহনে আগুন দিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। পরে রাত ১০টার দিকে তারা সড়ক ছেড়ে চলে গেলেও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো রেকারের মাধ্যমে সরাতে সময় লাগে। রাত ১২টার দিকে তিনটি পোড়া যানবাহন ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি সড়ক থেকে সরানোর পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরো জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি যানবাহন এবং ডিমবোঝাই ট্রাকটি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।



