পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় তিন হাজার ৭৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যোগে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের হলরুমে এ বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো: রাসেল।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের তিন হাজার ৭৫০ জন কৃষক-কৃষাণীর মাঝে জন প্রতি ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার ও পাঁচ কেজি আউশ বীজ (ব্রি ধান-৯৮) বিতরণ করা হবে।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: মো: আলাউদ্দিন মাসুদ, মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আবদুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আহসান উল্লাহ পিন্টু সিকদার, সহ-সভাপতি মো: আমিনুল ইসলাম খোকন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো: হারুন অর রশিদ মুন্সী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ব্রি ধান-৯৮ আউশ মৌসুমের একটি আধুনিক, উচ্চফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদি ধানের জাত, যা সাধারণত ১১২ দিনের মধ্যে পরিপক্ক হয়। খরা ও পোকা-মাকড় সহনশীল এবং আউশ মৌসুমে চাষের পর আমন ধান চাষের সুযোগ তৈরি হয়। হেক্টর প্রতি প্রায় পাঁচ টন ফলন দিতে সক্ষম এই ধানের চাল চিকন, লম্বা ও সাদা এবং ভাত ঝরঝরে হয়। এটি একটি শক্ত কাণ্ডবিশিষ্ট ও খাড়া ডিগপাতাযুক্ত জাত, যা চিটে হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
তিনি আরো বলেন, ‘এ জাতটি মূলত আউশ মৌসুমের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ধান। কৃষকরা যাতে অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদন করতে পারে, সে লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ নতুন নতুন ধানের আবিষ্কার করছে।’



