ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে একা নয় : সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী এলাকা টঙ্গিবাড়ীর আমতলী মাদরাসা সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

গোলাম মঞ্জুরে মাওলা অপু, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)

Location :

Munshiganj
নির্বাচনী জনসভায় সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম
নির্বাচনী জনসভায় সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম |নয়া দিগন্ত

ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে একা নয়। দেশের সম্মানিত ওলামা-একরামগণ সবাই আমাদের সাথে আছে। যারা ইসলাম ধর্মের অনুপ্রেরণা, নীতি ও শরীয়া আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মুসলমানদের জীবনের চেয়ে প্রিয় ইসলাম।’

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী এলাকা টঙ্গিবাড়ীর আমতলী মাদরাসা সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা দেশকে ভালোবাসি। আমাদের সাথে আল্লাহ রয়েছেন। ইসলামের প্রেমিকেরা রয়েছেন, দেশপ্রেমিকেরা রয়েছেন। সারাদেশের সব শ্রেণির মানুষ এখন ইসলামী আন্দোলনকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ঘোষণা করেছিলাম, ইসলামের পক্ষে একটাই বাক্স রয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার পক্ষের একমাত্র বাক্স হাতপাখা মার্কা। একমাত্র হাতপাখা মার্কা ইসলামের পক্ষে বলেছে, ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠা করবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের পরিবর্তনের জন্য ইসলামের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে, ভালো নীতি-আদর্শের পক্ষে, মানবতার কল্যাণের পক্ষে ভোট দেয়ায় হলো ভোটের বিজয় হওয়া।’

তাই নতুন বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে হাতপাখা প্রতীকে সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে প্রধান বক্তার বক্তব্যে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী কে এম বিল্লাল বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না। জাতিকে সচেতন করতে ইসলামী আন্দোলন সবক্ষেত্রে সবসময় সোচ্চার। ইসলামী আন্দোলন এই দেশে ৩৮ বছর ধরে ইসলামী আন্দোলন রাজনীতি করছে। আমাদের মাটি, জমি উর্বর। জনগণই আমাদের শক্তি। জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা আমাদের সমস্যার সমাধান করবো। ইনশাআল্লাহ আমাদের সফলতা আসবে।’

এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলা শাখার আয়োজনে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গাজী রফিকুল ইসলাম বাদলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দলটির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা শাখার নেতারা।